
ইসলামে ধর্মের গ্রন্থ কুসংস্কারে পরিপূর্ণ
ধর্মীয় নেতা বা প্রবর্তকরা যুগে যুগে মানুষের মন ও সমাজ গঠনে প্রভাব ফেলেছেন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—তাদের বক্তব্য, চিন্তাভাবনা ও আচরণ কতটা যুক্তিসঙ্গত ছিল? বিশেষ

ধর্মীয় নেতা বা প্রবর্তকরা যুগে যুগে মানুষের মন ও সমাজ গঠনে প্রভাব ফেলেছেন। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—তাদের বক্তব্য, চিন্তাভাবনা ও আচরণ কতটা যুক্তিসঙ্গত ছিল? বিশেষ

১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাংলাদেশে গণহত্যা চালায়, তখন তারা এই গণহত্যাকে ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করে এই বলে যে বাঙালিরা তাদের দ্বি-জাতি তত্ত্ব পাকিস্তানের সাথে

ইহুদি, খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলাম ধর্মের একটি কেন্দ্রীয়, সাধারণ মূল হল এক এবং একমাত্র ঈশ্বরের বাস্তবতার স্বীকৃতি। এই ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন যে একজন ঈশ্বর আছেন

বাংলাদেশে ধর্মীয় বক্তৃতা বা ওয়াজ মাহফিল শুধুই ধর্ম চর্চার একটি স্থান নয়—এটি আজ পরিণত হয়েছে এক প্রভাবশালী সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে। বছরের বিশেষ মৌসুমে

আপনি বাংলাদেশের যেকোনো ওআজ কখন দেখলে এইটা ১০০% দেখবেন যে এইখানএ নারীদের নিয়ে অনেক কঠোর কথাবার্তা গালিগালাজ করা হয় । বর্তমান এ কিছুদিন আগে একটা

আমাদের উপমহাদেশ যেন উত্তাপের ভাঁড়ে ফুটতে থাকা এক হাঁড়ি—একটুখানি নেড়ে দিলেই গরম হয়ে উঠি আমরা। ধর্ম, রাজনীতি, নারী—এই তিনটি বিষয় যেন একেকটা আগুনের গোলা। এর

ধর্মপ্রচার একটি দায়িত্বপূর্ণ কাজ—এটি কেবল একটি মতবাদ ছড়িয়ে দেওয়া নয়, বরং সত্য, সততা ও যুক্তির মাধ্যমে মানুষের হৃদয় ছোঁয়ার একটি মাধ্যম। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য,

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে কথা বলা সহজ নয়। ধর্মের বিষয়টি এতটাই স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে যে, কেউ কেবল প্রশ্ন তুললেও তার দেশপ্রেম, বিশ্বাস, এমনকি জীবন নিয়েও

নাস্তিকতা একটি ইতিবাচক বিশ্বাস নয় যে কোন ঈশ্বর নেই এবং এটি একজন ব্যক্তির বিশ্বাস সম্পর্কে অন্য কোনও প্রশ্নের উত্তর দেয় না। এটি কেবল এই দাবির

বাংলাদেশ এ যখন সমকামিতা নিয়ে কথা উঠে তার সাথে সবচেয়ে বেশি কথা উঠে ধর্ম নিয়ে । এক্ষেত্রে মনে হয় এই দুইটা বিষয় একে অপরের প্রতিপক্ষ