
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ও এলজিবিটি সম্প্রদায়ের অসহায় বাস্তবতা
বাংলাদেশ যার জন্ম হয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। অথচ স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে এসে আমরা দেখছি এক ভয়াবহ বাস্তবতা যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা আর

বাংলাদেশ যার জন্ম হয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। অথচ স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে এসে আমরা দেখছি এক ভয়াবহ বাস্তবতা যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা আর

আসলে বাংলাদেশে এখন ধর্ম টাকে ধর্ম হিসেবে কম আর রাজনীতি হিসেবে বেশি বিবেচিত করা হয়। এইখান এ ধর্মের দোহাই দিয়ে যেকোনো মানুষ নিজেদের ইচ্ছা মত

গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ একটি স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই দীর্ঘ সময়কালে দেশের সকল স্তরে দুর্নীতি, দমন-পীড়ন ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা এমনভাবে শেকড়

বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় গত ১৫ বছর স্বৈরাচারী শাসনের অধ্যায়ে এক কালো দাগ হিসেবে চিহ্নিত। এই সময়ে সরকার যে পথ অনুসরণ করেছে, তাতে দেশ এমন এক

আমরা একটি এমন সময়ে বাস করছি, যেখানে প্রার্থনার জায়গা থেকে শুরু করে মানুষজনের জীবন পর্যন্ত আজ অনিরাপদ। ভয়াবহ দুর্ঘটনা, সন্ত্রাসী হামলা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ—যেটাই হোক

বাংলাদেশে ধর্মীয় বক্তৃতা বা ওয়াজ মাহফিল শুধুই ধর্ম চর্চার একটি স্থান নয়—এটি আজ পরিণত হয়েছে এক প্রভাবশালী সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে। বছরের বিশেষ মৌসুমে

আপনি বাংলাদেশের যেকোনো ওআজ কখন দেখলে এইটা ১০০% দেখবেন যে এইখানএ নারীদের নিয়ে অনেক কঠোর কথাবার্তা গালিগালাজ করা হয় । বর্তমান এ কিছুদিন আগে একটা

আমাদের উপমহাদেশ যেন উত্তাপের ভাঁড়ে ফুটতে থাকা এক হাঁড়ি—একটুখানি নেড়ে দিলেই গরম হয়ে উঠি আমরা। ধর্ম, রাজনীতি, নারী—এই তিনটি বিষয় যেন একেকটা আগুনের গোলা। এর

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে কথা বলা সহজ নয়। ধর্মের বিষয়টি এতটাই স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে যে, কেউ কেবল প্রশ্ন তুললেও তার দেশপ্রেম, বিশ্বাস, এমনকি জীবন নিয়েও

আমি অনেক বছর আগে থেকে এই লিখালিখি করে যাচ্ছি যদি একটা মানুষকে এই কুসংস্কার থেকে বের করে একটা সাধারণ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ দিতে পারি যাতে করে